• যোগাযোগ
  • অভিযোগ
  • সংবাদ দিন
  • ই-পেপার
    • ঢাকা, বাংলাদেশ

    বিষয়: ড. রাধা বিনোদ পাল একজন ঋত্বিক ও ন্যায়পরায়ণ বিচারকের অবদান এবং আমার বুড়িগঙ্গা ভাবনা। 

     dailybangla 
    08th Feb 2026 8:44 pm  |  অনলাইন সংস্করণ

    এম রাকিব : যতদিন জাপান থাকবে, বাঙালি খাদ্যাভাবে, অর্থকষ্টে মরবে না। জাপান হবে বাঙালির চিরকালের নিঃস্বার্থ বন্ধু’। কথাটি সম্রাট হিরোহিতো কেন বলেছিলেন ? ১৯৪১ সালে ৭ই ডিসেম্বর জাপান হাওয়াই ও আহু দ্বীপে অবস্থিত যুক্তরাষ্টের পার্ল হারবার সেনা ঘাঁটি আক্রমণ করে। ঐ হামলায় ২৪০৩ জন সেনা সদস্য নিহত ও ২৪২৭ জন সেনা সদস্য আহত হয় এবং সেনা ঘাঁটির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।

    ইহা ছাড়াও জাপান নানজিং, সুকচিং গণহত্যা, কমফোর্ট উইম্যান এবং জৈব রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহার করে (ইউনিট ৭৩১) প্রচলিত যুদ্ধাপরাধ করেছিল। ফলশ্রুতিতে যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে। জেনারেল ম্যাক আর্থারের অধীন যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী জাপানকে কোনঠাসা করে ফেলে।

    ৬ই আগস্ট ১৯৪৫ সালে জাপানের হিরোশিমা এবং ৯ই আগস্ট নাগাসাকি শহরে পারমাণবিক হামলা করে (হিরোশিমা শহরে নিক্ষিপ্ত বোমা- লিটল বয়, বিমান- বি২৯ এনোলা গে, বৈমানিক- পল টিবেটস, ইউরোনিয়াম সমৃদ্ধ বোমা সকাল ৮টা ১৫ মিনিটে নিক্ষিপ্ত হয় যার তেজস্ক্রিতায় তাৎক্ষণিক ১ লাখ ৪০ হাজার মানুষ মারা যায় এবং নাগাসাকি শহরে নিক্ষিপ্ত বোমাটি- ফ্যাট ম্যান, বিমান- বি২৯ বস্বকার, বৈমানিক- চার্লস সুইনি, প্লুটিনিয়াম সমৃদ্ধ বোমা সকাল ১১টায় নিক্ষিপ্ত হয় যার তেজস্ক্রিতায় তাৎক্ষণিক ৭৪ হাজার মানুষ মারা যায়)।

    ১৫ই আগস্ট রেডিওতে ঘোষণার মাধ্যমে জাপানের সম্রাট হিরোহিতো আত্ম-সমর্পণ করেন। ২রা সেপ্টেম্বর জাপানের পক্ষে পররাষ্ট্র মন্ত্রী মামেরু মিগোমিৎসো ও সেনা প্রধান ইউশেজিরো উমেজু ইউ এস মিসৌরি যুদ্ধ জাহাজে আত্ম-সমর্পণ পত্রে স্বাক্ষর করেন। আনুষ্ঠানিক ভাবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে। জেনারাল ম্যাক আর্থার জাপান দখল করেন। জাপানের বিচারকার্য: ১৯৪৫ সাল, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপান পরাজিত হলে মিত্র শক্তির দেশ আমেরিকা জাপানের বিচার করার সিদ্ধান্ত নেয় এবং জেনারাল ম্যাক আর্থার কে প্রদান করে ইন্টারন্যাশনাল মিলিটারি ট্রাইব্যুনাল ফর দ্য ফার ইস্ট, যার অন্য নাম ( টোকিও ট্রাইব্যুনাল)। এই বিচারের অভিযোগ প্রক্রিয়া ছিল তিনটি ধাপে:

    প্রথম অভিযোগ- শান্তির বিপক্ষে অপরাধ
    দ্বিতীয় অভিযোগ- প্রচলিত যুদ্ধাপরাধ
    তৃতীয় অভিযোগ- মানবতাবিরোধী অপরাধ।

    ট্রাইব্যুনালে ১১টি দেশ থেকে ১১ জন বিচারক নিয়োগ করা হয়, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, সোভিয়েত ইউনিয়ন, চীন, ফ্রান্স, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, নিউজিল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস, ব্রিটিশ ভারত এবং ফিলিপাইন। প্রধান বিচারপতি ছিলেন অস্ট্রেলিয়ার বিচারপতি উইলিয়াম ওয়েভ। ড. রাধা বিনোদ পাল ছিলেন ব্রিটিশ ভারত তথা বর্তমান বাংলাদেশের নাগরিক। তিনি দ্বিতীয় অভিযোগ মেনে নিলেও প্রথম ও তৃতীয় অভিযোগের বিপক্ষে অবস্থান নেন এবং ভিন্নমত পোষণ ( নোট অব ডিসেন্ট) লিখেন।

    তিনি বলেন-
    কোনো আন্তর্জাতিক আইন বা সভ্যতাকে শ্রদ্ধা না করে পছন্দমতো ব্যক্তিদের নিয়ে সমরবিদ ম্যাক আর্থারকে প্রধান করে আমেরিকা গঠন করেছে টোকিও দূরপ্রাচ্য মিলিটারি ট্রাইব্যুনাল’, যার অপর নাম টোকিও ট্রাইব্যুনাল। ১৯৪৬ হতে ১৯৪৮ সালের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত ড. পাল বিচার্য বিষয় নিবিড় ও পুঙ্খানুপুঙ্খ পর্যালোচনা করেন। তিনি জাপানের যেমন অপরাধ দেখেছেন, তেমনি যুক্তরাষ্ট্র ও মিত্র পক্ষের ও অপরাধ দেখেছেন। তাই নিরপেক্ষ থেকে বিচার কার্য সম্পন্ন করতে চেয়েছেন।

    তিনি দেখলেন বিচারকার্য শুরু হওয়ার আগে বিচারকদের নিয়মিত শপথবাক্যের অতিরিক্ত বাক্য সংযোজন করে শপথের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে যে, এই বিচারকার্যের কোনো তথ্যাদি জনসম্মুখে প্রকাশ করা হবে না। রাধাবিনোদ পাল বিচারকার্যের ওপর এমন ঘৃণ্য সিদ্ধান্তে দ্বিমত পোষণ করেন। বিচারের একপর্যায়ে অন্য বিচারপতিগণ যুদ্ধাপরাধের দায়ে ২৮ জন অভিযুক্ত ব্যক্তির মধ্যে জাপানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী হিদেকী তোজোসহ ৭ জনকে ফাঁসি, ১৬ জনকে যাবৎ জীবন ও অন্যদেরকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়। বিশেষভাবে দৃষ্ট যে, তৎকালীন জাপান সম্রাট হিরোহিতো কে আসামি করা হয়নি অথচ তিনি ছিলেন জাপানের সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী।

    এই আদালতের দশজন বিচারক রায় দেন বস্তুত নিয়োগদাতাদের তুষ্ট করে। একমাত্র ড. রাধা বিনোদ পাল স্রেতের বিপক্ষে গিয়ে জাপানের পক্ষে রায় দেন। অন্য বিচারকগণ ড. পালের বিচারের শুদ্ধতা আছে বললেও মেনে নেন নি ফলে পক্ষপাত দৃষ্ট বিচার সম্পন্ন হয়। ড. রাধা বিনোদ পালের রায় টি ছিল তার দীর্ঘ ১ হাজার ২৩৫ পৃষ্ঠার। যা বহির্বিশ্বে শুদ্ধ বলে স্বীকৃত। তিনি পরিপূর্ণ রায়ে উল্লেখ করেন যে, এই রায় আমেরিকার পক্ষে সাজানো এবং তা প্রহসনেরও।

    ‘মিত্রপক্ষ যদি শত্রুপক্ষের চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধের মোকাবিলা করার জন্যই যুদ্ধে শামিল হয়েছিল বলে দাবি করে, তবে শত্রুপক্ষকে ঘায়েল করার জন্য ১৯৪৫ সালের ৬ আগস্ট হিরোশিমায়, ৯ আগস্ট নাগাসাকিতে ১২ হাজার কিলোটন ওজনের মতো উচ্চমাত্রার তেজস্ক্রিয়তা সম্পন্ন আণবিক বোমার বিস্ফোরণ ঘটিয়ে প্রায় তিন লাখ নিরীহ মানুষ এবং শিশু-নারীকে হত্যা করেছিল কেন? এটি কি মিত্রশক্তির মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধমূলক কাজ কি হয় নি? তিনি এজন্য আমেরিকা ও তার মিত্রদেরই বিচার দাবি করেন।

    তিনি ভর ও গতির আবিষ্কারক, বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইন ও আণবিক বোমার আবিষ্কারক ওপেন হাইমারদের মতো বিজ্ঞানীদের সতর্ক করে উল্লেখ করেন তাদের উদ্ভাবিত বোমা বিশ্বে শান্তি ও মানবতার বিরুদ্ধে হুমকির কারণ। যেখানে কয়েক ঘণ্টায় লাখ লাখ সাধারণ নিরপরাধ মানুষের জীবন নাশ হয়েছে এবং এদের মধ্যে বৃদ্ধ, মহিলা ও শিশু রয়েছে।’’ এই ‘নোট অব ডিসেন্ট’ দিয়ে বিচারের একতরফা গুরুদণ্ড থেকে একটি অমানবিক বিচারকে রক্ষা করেন ড. রাধা বিনোদ পাল।

    যদিও জাপানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র দখলদারিত্ব বহাল রাখে এবং ড. পালকে জাপান সমর্থক বিচারক বলে আখ্যায়িত করে। রাধা বিনোদ পাল কেবল রায়ের মধ্য দিয়েই দায়িত্ব শেষ করেননি। বিচারের চার বছর পরে ১৯৫২ সালের ৬ আগস্ট হিরোশিমার শান্তি স্মৃতি উদ্যানে দাঁড়িয়ে পারমাণবিক বোমা হামলার অষ্টম বার্ষিকীতে জাপানিদের উদ্দেশ্যে বলেছিলেন, ‘যদি আবার জাপানিরা যুদ্ধে জড়ায় তবে হিরোশিমার সেই নৃশংসতায় নিহত নিরীহ মানুষদের প্রতি চূড়ান্ত অবমাননা করা হবে’। তিনি জাপানিদের যুদ্ধ ছেড়ে শান্তির দিকে ধাবিত হতে আহবান করেন। চরম যুদ্ধবাজ জাপানিদেরকে বোঝাতে ড. পালের ৮ বছর কষ্ট করতে হয়েছিল। মূলত আজকের উন্নত জাপান ড. রাধা বিনোদ পালের কষ্টের ফসল।

    রাধা বিনোদ পালের এই বক্তব্য অক্ষরে অক্ষরে পালন করেছিল জাপানিরা। সে বছরই বিচারের রায় মেনে নিয়ে সান ফ্রান্সিসকো শান্তি চুক্তিতে স্বাক্ষর করে। এর ফলে জাপানের দখল ছেড়ে দেয় যুক্তরাষ্ট্র। জাপানিরাও তাকে আশ্বস্ত করেছিলেন, ‘জাপান কখনোই আর যুদ্ধে জড়াবে না এবং সব সময় শান্তির পক্ষে থাকবে।’ যদিও যুক্তরাষ্ট জাপানকে আগামী ৫০ কোনো পারমাণবিক অস্ত্র বানাতে পারবেনা শর্তটি বহাল রেখেছিল। সেই থেকে জাপানে শান্তির সূচনা এবং উন্নত বিশ্বের মহীয়ান মর্যাদায় অধিষ্ঠিত এক সভ্য দেশ।

    ড. রাধা বিনোদ পাল বর্তমান বাংলাদেশের কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুর উপজেলার মাতুলালয় তারাগুনিয়া গ্রামে ১৮৮৬ সালে ২৭ জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন। তার পৈতৃক নিবাস একই জেলার মিরপুর উপজেলার ছাতিয়ান গ্রাম। তার পিতার নাম বিপিন বিহারী পাল ও মাতার নাম মগ্নোময়ী পাল। শৈশবে ইমান আলী পণ্ডিতের ব্যক্তিক পাঠশালায় শিক্ষা গ্রহণ করেন শৈশব কৈশোর এবং যৌবনের একটা অংশ জন্মস্থানে কাটিয়েছিলেন।

    তিনি কলকাতায় ১৯৬৭ সালের ১০ জানুয়ারি মৃত্যুবরণ করেন । আমার বুড়িগঙ্গা ভাবনা: বুড়িগঙ্গা ঢাকা শহরের দক্ষিণ পশ্চিম পাশ দিয়ে প্রবাহিত, ঢাকা মহানগরের চার কোটি মানুষ ও কয়েক হাজার কোটি টন ইট- পাথরের ভার বহনকারী একটি প্রাকৃতিক নদী। বর্তমানে নদীটি চরমভাবে দূষিত। নদীটি দূষণে প্রত্যক্ষ দোষ বাংলাদেশের হলেও পরোক্ষ দোষ জাপান এবং অন্যান্য উন্নত দেশের। ব্যাখ্যা করছি, জাপান আমাদের বন্ধু প্রতিম দেশ, আমরা শিল্পোন্নত জাপানের মুগ্ধ ভোক্তা আবার জাপান আমাদের নিকট কৃতজ্ঞ।

    দুর্বলতা আমাদের! আমরা কোন প্রকার ক্ষতিপূরণ চাচ্ছি না। আমরা শিল্পের দ্বিতীয় স্তরের উৎপাদক অর্থাৎ আমরা উন্নত বিশ্বের যন্ত্র ব্যবহার করে পণ্য উৎপাদর করি। উদাহরণ আমাদের গায়ের যে জামা কাপড় তা আমাদের গার্মেন্টস শিল্প তৈরি করেছে উন্নত বিশ্বের মেশিনারিজ ব্যবহার করে। সেই মেশিন থেকে নির্গত বর্জ্য আমাদের দেশের নদ-নদী এবং সার্বিক পরিবেশ দূষিত করেছে। উল্লেখ্য যে ঢাকা শহরের নিকটবর্তী আশুলিয়া, সাভার ও নারায়ণগঞ্জ শিল্প অধ্যুষিত অঞ্চল। আশুলিয়ার তুরাগ এবং সাভারের কর্ণতলী নদীর দূষিত প্রবাহ বুড়িগঙ্গা নদীর জলের প্রধান প্রবাহ এবং দূষিত বুড়িগঙ্গার মূল কারণ। গৌণ কারণ শহুরে বর্জ্য।

    নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যা নদীও একটি দূষিত নদী। ভোক্তা অধিকার আইন অনুসরণ করে জাপান তথা উন্নত বিশ্বের নিকট ক্ষতিপূরণের দাবি করা উচিত মনে করছি। এটা আমাদের অধিকার, অনুদান নয়। নদী, নগর এবং নাগরিকের মধ্যে নিবিড় সম্পর্ক বিদ্যমান। বুড়িগঙ্গা নদীর কোলে ঢাকা শহর প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। নগরে বসবাস করছে নাগরিকরা। নদী দূষণমুক্ত না হলে নগর টেকসই ও বাসযোগ্য করা অসম্ভব হবে যার ফল ভোগ করবে নাগরিকরা। যদিও এই সত্য নাগরিক ও দেশের বর্তমান ও অতীত সরকারগুলো কখনো অনুধাবন করেনি।

    যার ফলে ঢাকা শহরের নাগরিকের জীবনে চরম প্রাকৃতিক বিপর্যয় নেমে আসতে পারে যার কিছুটা এখনই অনুভূত হচ্ছে। যেমন ভূগর্ভস্থ পানির স্তর ক্রমান্বয়ে নিচে নেমে যাচ্ছে। এ বিষয়ে সমন্বিত গবেষণা এবং করণীয় নির্ধারণের অনুরোধ জানাচ্ছি। অর্থাৎ বুড়িগঙ্গা দূষণের কারণ, মাত্রা, জল ও জলজ প্রাণ, ঢাকা নগর ও নাগরিকের উপর নদীর প্রভাব ইত্যাদি বিষয়ে সমন্বিত গবেষণা থেকে প্রাপ্ত সত্য তথ্যের ভিত্তিতে বুড়িগঙ্গা নদী সংস্কারের সিদ্ধান্ত গ্রহণের আহ্বান জানাচ্ছি এবং যেহেতু শহুরে বর্জ্যকে গৌণ বলেছি এবং মেশিন নির্গত বর্জ্যকে মুখ্য বলেছি, যেহেতু মেশিন উন্নত বিশ্বের সুতরাং ভোক্তা অধিকার আইন অনুসরণ করে আমরা যাদের ভোক্তা, তাদের নিকট ক্ষতিপূরণ চাওয়াটা যৌক্তিক।

    জাপান বাঙালি ড. রাধা বিনোদ পালের অবদানে উন্নত বিশ্বের মহীয়ান মর্যাদায় অধিষ্ঠিত তিনি যদি সুবোধ জাগ্রত করণের আহ্বান না জানাতেন জাপান যুদ্ধবাজই থেকে যেত। আমাদের এই অকৃত্রিম বন্ধু কৃতজ্ঞতার কথা বলে উপকারের শতভাগ আদায় করে নিচ্ছে। ত্রিনেত্র খুলে দেখেন আমাদের যানবাহনের নব্বই ভাগই জাপানি এবং ব্যবহার করা, আবার ঋণ দিচ্ছে সুদ নিচ্ছে শর্ত দিচ্ছে জাপানি মেশিন ব্যবহার করতে হবে, উন্নত বিশ্বের কনসালটেন্ট নিতে হবে। এগুলো সম্ভব হচ্ছে মূলত উন্নত বুদ্ধিমত্তার কারণে।

    সুতরাং নীতি নির্ধারণী সপ্রতীভ বাংলাদেশি মহলকে বিনয়ী অনুরোধ জানাচ্ছি আপন অধিকার আদায় করুন, নদী ও নগর সংস্কার করুন। ট্যাক্সের টাকা নাগরিকের কল্যাণে ব্যবহার করুন। পরিশেষে বিশ্বনন্দিত বঙ্গ সন্তান ড. রাধা বিনোদ পাল এর ১৪০ তম জন্মদিবসে শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ করে সমাপ্ত করছি।

    লেখক, কথাসাহিত্যিক

    বিআলো/আমিনা

    Jugantor Logo
    ফজর ৫:০৫
    জোহর ১১:৪৬
    আসর ৪:০৮
    মাগরিব ৫:১১
    ইশা ৬:২৬
    সূর্যাস্ত: ৫:১১ সূর্যোদয় : ৬:২১

    আর্কাইভ

    February 2026
    M T W T F S S
     1
    2345678
    9101112131415
    16171819202122
    232425262728